বিবৃতিতে
তিনি বলেন, মধ্য রাতে টাকা ভাগাভাগির এ ঘটনায় সরকারি দফতরে জনবল নিয়োগে অবৈধ
লেনদেনের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার চিত্র ফুটে উঠেছে। এর মাধ্যমে সরকারি
দফতর ও উচ্চ রাজনৈতিক মহলে দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয়ার ঘটনা বেরিয়ে এসেছে।
ঘটনার
প্রধান সাক্ষী গাড়িচালক আজম খানকে দ্রুত খুঁজে বের করে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে
কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি। এ ঘটনাটি বর্তমান সরকারের
দুর্নীতির অথই সমুদ্রে জলকণাসম উল্লেখ করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন,"যে
সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটি সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে,তার
জন্য এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ।"
ইফতেখারুজ্জামান
উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ঘটনার পর বিজিবি ও পুলিশ কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ
করেনি। সংস্থা দু'টি প্রভাবান্বিত হয়ে নীরবতা পালন করেছে-যা এই অপরাধকে প্রশ্রয়
দেয়ারই শামিল।
গত
সোমবার রাতে ৭০ লাখ টাকাসহ আটক হন রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের এপিএস ওমর ফারুক
তালুকদার। এ সময় তার সঙ্গে আটক হন রেলওয়ের জিএম (পূর্বাঞ্চল) ইউসুফ আলী মৃধা।
সোমবার রাত ১১টার পর তাদেরকে ঘুষের ৭০ লাখ টাকাসহ কৌশলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের
(বিজিবি) হাতে ধরিয়ে দেন ড্রাইভার আলী আজম। বিজিবির সদস্যরা তাদেরকে রাতভর
পিলখানায় আটকে রাখে। পরদিন মঙ্গলবার সকালে পরিচয় নিশ্চিত করে এবং তদবির পেয়ে
তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়। মিডিয়ার মাধ্যমে বুধবার খবরটি দেশের সর্বত্র পৌঁছে যায়।
রেলমন্ত্রীর এপিএস এতো টাকা কোথায় পেলেন-এ নিয়ে সারাদেশে ব্যাপক তোলপাড় শুরু
হয়।
No comments:
Post a Comment